Wellcome to National Portal
Text size A A A
Color C C C C

সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস

 
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
 
১৯৭৬ সালে স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শ্রম ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় নামেই মূলতঃ এ মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু। অতঃপর বিভিন্ন বাস্তবতার আলোকে একাধিকবার নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে এটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। 
সুষ্ঠু শিল্প সম্পর্ক বজায় রেখে উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর/দপ্তর/সংস্থা কর্তৃক মূলতঃ শ্রম কল্যাণ, শিল্পে কর্মসংস্থান ও শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন, শ্রম আদালত ও শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনালের গঠন ও প্রশাসনিক কার‌্যাবলী, নিম্নতম মজুরী বোর্ড গঠন ও এর সুপারিশ প্রণয়ন, রাষ্ট্রায়ত্ব ও বেসরকারী শিল্প শ্রমিকের মজুরী কমিশন গঠন, তার সুপারিশ বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন সংস্থার চাকুরী অত্যাবশ্যকীয় ঘোষণা, অধিকারের পাশাপাপশি দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, শ্রমিকের স্বাস্থ্য চিকিৎসা, শ্রমিকের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বিষয়ক কার‌্যাবলী, শ্রম আইনসমূহ বাস্তবায়ন, শ্রম আদালতের মাধ্যমে শ্রম ক্ষেত্রে সুবিচার নিশ্চিত করা, শ্রমিকের জন্য ন্যূনতম মজুরী নির্ধারণসহ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিশুশ্রম নিরসনে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। এ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তর/দপ্তর/সংস্থাসমূহ হলো কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শ্রম অধিদপ্তর, শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনাল, নিম্নতম মজুরী বোর্ড, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও কেন্দ্রীয় তহবিল।
 
সুষ্ঠু শিল্প সম্পর্ক বজায় রেখে উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক মূলতঃ শ্রম কল্যাণ, শিল্পে কর্মসংস্থান ও শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন, শ্রম আদালত ও শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনালের গঠন ও প্রশাসনিক কার‌্যাবলী, নিম্নতম মজুরী বোর্ড গঠন ও এর সুপারিশ প্রণয়ন, রাষ্ট্রায়ত্ব ও বেসরকারী শিল্প শ্রমিকের মজুরী কমিশন গঠন, তার সুপারিশ বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন সংস্থার চাকুরী অত্যাবশ্যকীয় ঘোষণা, অধিকারের পাশাপাপশি দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, শ্রমিকের স্বাস্থ্য চিকিৎসা, শ্রমিকের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বিষয়ক কার‌্যাবলী, শ্রম আইন এবং বিধান সমূহের প্রশাসন, শ্রম পরিসংখ্যান, শ্রম প্রশাসন, এবং প্রশিক্ষণ কাজগুলো সম্পাদন করা হয়। 
 
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয় এবং অধিনস্থ দপ্তরগুলোকে আই,টি/ডিজিটাল এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। আরও বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (িি.িসড়ষব.মড়া.নফ) হালনাগাদ করণসহ শ্রম আইন-নীতি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য নিয়মিত ওয়েবসাইটে দেয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-পরিদপ্তরে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ২ও প্রকল্পের আওতায় শ্রম অধিদপ্তরের ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 
 
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত শ্রম পরিদপ্তর এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে রুপান্তর করে জনবল কাঠামো অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১টি আপীল ট্রাইব্যুানাল ও ১৩টি শ্রম আদালত, নিম্নতম মজুরী বোর্ড, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন, কেন্দ্রীয় তহবিল পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের অধীনস্থ কার্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এর জনবল কাঠামো ৯৯৩ হতে ১১৫৬ জনে উন্নীত হয়েছে । এ অর্থবছরেই শ্রম আদালতের সংখ্যা ১০টি হতে বৃদ্ধি করে ১৩টি করা হয়েছে। 
 
বাংলাদেশে বর্তমান কর্মসংস্থান পরিস্থিতি, শ্রম বাজার, আর্থ-সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কর্মে নিয়োগ এবং কর্মের জন্য জনশক্তিকে উপযুক্ত ও দক্ষ করে কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য ইতোমধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘কর্মসংস্থান অধিদপ্তর’ গঠনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। কর্মসংস্থান অধিদপ্তর গঠনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। 
 
মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন অধিদপ্তর/দপ্তর/সংস্থাসমূহের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন ও এসডিজি বাস্তবায়ন এবং পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়গুলো মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান কার্যপরিধির সাথে য্ক্তু হওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। এ প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যামান সাংগঠনিক কাঠামোতে নতুন পদ সৃজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।